ব্যারিস্টার-এট-ল ডিগ্রির জন্য যোগ্যতা অর্জন করলেন কচুয়ার রুবেল

আইন-আদালত
ব্যারিস্টার-এট-ল ডিগ্রির জন্য যোগ্যতা অর্জন করলেন কচুয়ার রুবেল

মো. মোশারফ হোসেন রুবেল। (ফাইল ছবি)

১০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৯ পিএম

যুক্তরাজ্যের ঐতিহ্যবাহী আইনবিষয়ক প্রতিষ্ঠান ‘দ্য অনারেবল সোসাইটি অব লিংকনস ইন’ থেকে ব্যারিস্টার-এট-ল ডিগ্রি অর্জনের জন্য যোগ্যতা অর্জন করেছেন মো. মোশারফ হোসেন রুবেল। তিনি মোশারফ সলিসিটরসের প্রধান আইনজীবী এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কচুয়া উপজেলা শাখার সাবেক সদস্যসচিব।

৭ অক্টোবর ২০২৬ যুক্তরাজ্যের সিটি সেন্ট জর্জেস, ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনে বার ভোকেশনাল স্টাডিজ সফলভাবে সম্পন্ন করার মাধ্যমে তিনি এ যোগ্যতা অর্জন করেন।

এর আগে যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব সেন্ট্রাল ল্যাঙ্কাশায়ার থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক (এলএলবি) ডিগ্রি অর্জন করেন রুবেল। এ সময় তিনি ‘একাডেমিক এক্সিলেন্স’ স্বীকৃতিও লাভ করেন।

রুবেলের শিক্ষাজীবন বেশ বৈচিত্র্যময়। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে স্নাতকোত্তর (এমএ) ডিগ্রি অর্জন করেছেন। এ ছাড়া ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি (আইইউবিএটি) থেকে ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতকোত্তর (এমবিএ) ডিগ্রি লাভ করেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক (এলএলবি) এবং ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রিও অর্জন করেন তিনি।

মো. মোশারফ হোসেন রুবেলের জন্ম চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ১১ নম্বর গোহট দক্ষিণ ইউনিয়নের চাপাতলী গ্রামে। তাঁর বাবা আব্দুস সালাম একজন ব্যবসায়ী ছিলেন। তাঁর বড় ভাই মো. মনির হোসেন ফ্রান্সপ্রবাসী এবং আরেক ভাই মো. সোহরাব হোসেন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। তাঁর স্ত্রী ফারজানা ইয়াসমিন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী। রুবেল নিজ গ্রামের চাপাতলী লতিফিয়া সিনিয়র ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার সাবেক শিক্ষার্থী।

শিক্ষাজীবনের পাশাপাশি ছাত্ররাজনীতিতেও সক্রিয় ছিলেন রুবেল। নিজ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তাঁর রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয়। পরে ২০২০ সালে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কচুয়া উপজেলা শাখার সদস্যসচিবের দায়িত্ব পান। এ সময় তিনি বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।

এ ছাড়া বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের রাজনৈতিক প্রতিকূলতার সময়ে আইনি সহায়তা দিয়েছেন বলে তাঁর পরিচিতজনেরা জানিয়েছেন।

রুবেলের এ সাফল্যে স্থানীয় সামাজিক, রাজনৈতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তাঁরা তাঁর ভবিষ্যৎ পেশাগত জীবনের সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।