চাঁদপুরের কচুয়ায় পৃথক মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ। তাঁদের কাছ থেকে ১০টি ইয়াবা বড়ি ও ৬৫০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজিজুল ইসলামের নির্দেশনায় এবং পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. রাশেদুল হকের নেতৃত্বে থানা-পুলিশের পৃথক দল এসব অভিযান চালায়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার ফতেপুর গ্রামের আবুল খায়ের বেপারীর ছেলে মো. ইব্রাহীম খলিল ওরফে জনি (২৭), কড়ইয়া গ্রামের আলী আজম প্রধানের ছেলে মো. শাহাদাত হোসেন (৩৪), কোয়া গ্রামের মৃত সুনীল চন্দ্র দাসের ছেলে সুমন চন্দ্র দাস (৪০), ডুমুরিয়া গ্রামের আলী আক্কাসের ছেলে মো. ওমর ফারুক (৩৭) এবং সাচার গ্রামের মৃত খোরশেদ আলমের ছেলে মো. রাজীব (৩৫)।
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টা ৩৫ মিনিটে ফতেপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইব্রাহীম খলিল ওরফে জনিকে আটক করা হয়। এ সময় তাঁর কাছ থেকে পাঁচটি ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়। একই দিন বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে কড়ইয়া পলিটেকনিক্যাল রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে শাহাদাত হোসেনকে আটক করা হয়। তাঁর কাছ থেকে ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
রাত ১০টা ৩০ মিনিটে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পূর্ব পাশে মাহির ফার্মেসির সামনে অভিযান চালিয়ে ওমর ফারুককে আটক করা হয়। তাঁর কাছ থেকে ২০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। রাত ১১টা ১০ মিনিটে উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির সামনে থেকে সুমন চন্দ্র দাসকে আটক করা হয়। এ সময় তাঁর কাছ থেকে ৫০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
এ ছাড়া রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে সাচার ইউনিয়নের শহীদুল্লাহ মেডিকেলের সামনে অভিযান চালিয়ে রাজীবকে আটক করে পুলিশ। তাঁর কাছ থেকে পাঁচটি ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের তথ্যমতে, উদ্ধার করা ১০টি ইয়াবা বড়ির আনুমানিক বাজারমূল্য ৩ হাজার টাকা। ৬৫০ গ্রাম গাঁজার আনুমানিক বাজারমূল্য ১৩ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে উদ্ধার করা মাদকের আনুমানিক মূল্য ১৬ হাজার টাকা।
এ ঘটনায় আটক পাঁচজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় কচুয়া থানায় পৃথক পাঁচটি মামলা করা হয়েছে। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) তাঁদের যথাযথ পুলিশ পাহারায় আদালতে পাঠানো হয়েছে।


